পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা চিলাহাটি ইউপি (ভাউলাগঞ্জ বাজার) থেকে আকন্দপাড়া পর্যন্ত (চেইনেজ ১১৪০ মিটার থেকে ২৩৮৮ মিটার) সড়কের উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন অনুষ্ঠান কালে ১১ এপ্রিল বক্তব্যে পঞ্চগড়-২ (বোদা দেবীগঞ্জ) আসনের এমপি, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, আমরা অবশ্যই ভাউলাগঞ্জ বাজার চিলাহাটি ইউনিয়নে মাদকমুক্ত করব তবে আপনাদের সকলের সহযোগিতা লাগবে। তিনি বলেন ভাউলাগঞ্জ বাজারে মাদকের উৎপত্তি বেড়ে গেছে ইউনিয়ন পরিষদের সংলগ্ন এত বড় মাদকের কারবার হয় আমাকে এ বিষয়ে কেউ জানায়নি তবে আমি বিভিন্ন মাধ্যমে এ বিষয়ে জেনে প্রশাসনের মাধ্যমে একজন নারী সহ ১২ জন মাদক কারবারিকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করিয়াছি।
তিনি বলেন এ মাদক কারো সহায়ত নয় আপনার ছেলে হোক আমার ছেলে হোক আপনার ভাই ভাতিজা হোক এই মাদক সমাজের শত্রু দেশের শত্রু এ মাদক আজ কে সুকৌশলে আমাদের দেশে দিয়ে এসে আমাদে যুব সমাজ কে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আপনারা প্রত্যেকেই প্রশাসনকে সহযোগিতা করেন আমরা কারো বিরুদ্ধে নই আমরা চাই তাদেরকে সংশোধিত করতে সংশোধিত করে তাদের সুস্থ জীবন দিতে পারি।
আমাকে অনেকেই ফোন করে বলে ভাই মোর স্বামী মাদক খায় মোর স্বামীটা কেসিনো খায় মোর স্বামীটা অনলাইন জুয়া খেলায় ধ্বংস হয়ে গেছে এগুলো যখন শুনি তখন আমার বুকটা ফেটে যায় আমি চাই আপনারা সবাই আমাকে সহযোগিতা করবেন প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন অবশ্যই আমরা ভাউলাগঞ্জ বাজার কে মাদকমুক্ত করব তবে আপনাদের সকলের সহযোগিতা লাগবে প্রশাসন বলেন আমাকে বলেন আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া কোনভাবেই এ মাদকমুক্ত করতে পারবো না।
মাদকক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স আমার দলের যত বড় নেতা হোক যদি কোন অন্যায় দুর্নীতি করে কোন ছাড় আমি দিবোনা। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর মেসেজ কান খুলে মনে রাখবেন। এখানে ঠিকাদার কাজ করবে আমার কোন নেতা কে ম্যানেজ করে এক নাম্বার ইটের জায়গায় দুই নাম্বার ইট দিয়ে কাজ করলে আমাকে সরাসরি জানাবেন আমি ওই নেতার নেতাগিরি সারা জীবনের জন্য ছুটাই দিবো মেসেজ আমার কিলিয়ার।
ইঞ্জিনিয়ার উনি খুব সৎ মানুষ অনিয়ম হলে তাকে জানাবেন আমাদের বর্তমান ইউএনও একজন সৎ মানুষ তারা আমাদের সহযোগিতা করবেন। আপনাদের সকলের সহযোগিতায় আমরা সুন্দর একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই আমরা আমাদের মানসিকতা চেঞ্জ করি। তিনি আরও বলেন,
আজ তারেক রহমান কে দেখেন সংসদে গেলে ওনার থেকে ছোট নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম সংসদে গেলে তারেক রহমান উঠে দাঁড়ান আমি দেখেছি, আমি এমনও দেখেছি এক দিনে ২৭ বার উনি উঠেছে। এতে কি তারেক রহমানের সম্মান কমেছে। আজকের তারেক রহমানের মত নেতা ট্রাফিক আইন মানে। তারেক রহমান এসি ২৫ এর নিচে নামায় না। আমরা পারলে এসি ১৮ তে নামাই দেই, উনি অফিসে ৯ টায় যান পারলে দুই মিনিট আগে যান আমাদের রোল কল করেন। এই পরিবর্তন শুধু প্রধানমন্ত্রী করলে হবে না আমাদের সবাইকে সেটি ধারণ করে বাস্তবায়ন করতে হবে।